বিনিময়
বিনিময়
তোমার মনে আছে পদ্মিনী
আমি সকাল সন্ধ্যা তোমার থেকে
এক চিমটি প্রেম চাইতাম রোজ
বিনিময়ে তুমি এক মুষ্ঠি কষ্ট দিতে।
তোমার মনে পরে ঐ সেদিন
যেদিন এক পশলা বৃষ্টিতে
চৈত্রের ধুলো গুলো কেমন করে
এঁটে গেল মাটির বুকে নিবীর হয়ে।
আমি সেদিও দাঁড়িয়ে ছিলাম
খুব প্রচন্ড হুংকারে বাজ পড়ছিল
একটুও সংকিত হাইনি আমি
যতটা হয়েছি তুমি না আসায়।
সপÍাহে দু’ দিন চিঠি পাঠাতাম
লিখতাম বিনিদ্র রাত জেগে
এতটুকু বিরক্ত আসেনি কখনো
যতটা তুমি হয়েছিলে সে দুদিনে।
‘পদ্মিনী’ এই নামটা তোমার খুব অপছন্দ
তবু বারবার এ নামে ডেকেছি
সাজের ঝিঁ ঝিঁ ক্লান্ত হয়েছে
তবু এ বুলি আমি ছাড়িনি।
তোমায় একবার দেখতে অপলকে
তাকিয়ে ছিলাম দূর দিগন্তে
তুমি এসেছিলে আমি সুখে ভেসেছিলাম
তবু চাওনি নয়ন তুলে।
শত লাঞ্ছনায় আমি ঘরে ফিরিনি
দু হাত বাড়িয়ে ছিলাম চোখ বুজে
ভাবতাম তুমি ফিরে চাবে
নিঃস্ব এ হৃদয় পানে।
কিনÍু আজ বড় কষ্ট লাগে যখন দেখি
তুমি চৈত্রের ধুলোয় লুটপুটি খাও
গলা মেলাও কুকিলের সাথে
পচ্ছন্দ করো লাল শিমুল ফুল।
আজ তোমার অপেক্ষা ভালো লাগে
আমার জন্য নয় আগন্তুকের জন্য
তবে সে গুড়ে আমি বালি হই কেন
সুখে থাক নিজেকে নিয়ে।
আমিও আর ভোরে জাগিনা এখন
তোমাকে একবার দেখতে
বাসা বেধেছি অন্য মগ ডালে
নিজের মতো আপন করে।

Post a Comment